visago
ইকুয়েডর
কেপ ভার্দেইকুয়েডরভিসা লাগে না

কেপ ভার্দে দেশের নাগরিকদের কি ইকুয়েডর ভ্রমণে ভিসা লাগে?

কেপ ভার্দে দেশের নাগরিকদের ইকুয়েডর ভ্রমণে ভিসা লাগে না; সর্বোচ্চ 90 দিন থাকা যায়। বৈধ পাসপোর্ট লাগবে; সীমান্ত কর্মকর্তারা ফিরতি টিকিট ও থাকার বুকিং দেখতে চাইতে পারেন। বেশি দিন থাকতে চাইলে ভিসা বা মেয়াদ বাড়ানো (এক্সটেনশন) দরকার হবে।

কেপ ভার্দে দেশের নাগরিকদের জন্য: এই পাসপোর্টে 39টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়; প্রায়া — কিতো: ≈ 6,270 কিমি, ফ্লাইটে প্রায় 8.5 ঘণ্টা।

যাচাই করেছেন ভিসা বিশ্লেষক Albert Brown, 13 বছরের অভিজ্ঞতা · 26 সেপ্টেম্বর, 2026

এক নজরে

ভিসা লাগে না

থাকার মেয়াদ: 90 দিন

কেপ ভার্দে দেশের পাসপোর্টে কি ভিসা ছাড়া ইকুয়েডর ভ্রমণ করা যায়?

হ্যাঁ, কেপ ভার্দে দেশের নাগরিকদের ইকুয়েডর ভ্রমণে ভিসা লাগে না — সর্বোচ্চ 90 দিন। বৈধ পাসপোর্টই যথেষ্ট।

ইকুয়েডর ভিসার নিয়ম: এক নজরে

  • কেপ ভার্দে দেশের পাসপোর্টে 39টি দেশে ভিসা ছাড়া, 24টি দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসায় এবং 43টি দেশে ই-ভিসায় যাওয়া যায়; আরও 92টি দেশে দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসা লাগে।
  • ভিসা ছাড়া যাওয়া যায় এমন দেশের সংখ্যার হিসাবে কেপ ভার্দে দেশের পাসপোর্ট 199টির মধ্যে 125তম স্থানে রয়েছে।
  • কেপ ভার্দে দেশের পাসপোর্ট: 39টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়; ইকুয়েডর দেশের পাসপোর্ট: 45টি দেশে।
  • কেপ ভার্দে ও ইকুয়েডর দেশের নাগরিকেরা একসঙ্গে 15টি দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারেন, যেমন: বার্বাডোজ, ডোমিনিকা, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডিনস, হাইতি, বাহামা দ্বীপপুঞ্জ, প্যালেস্টাইন ভূখণ্ড, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, সিসিলি, মালয়েশিয়া, ম্যাকাও এসএআর চীন, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, মাইক্রোনেশিয়া এবং হংকং এসএআর চীনা।
  • অন্যদিকে, ইকুয়েডর দেশের নাগরিকেরা কেপ ভার্দে দেশে পৌঁছানোর পর ভিসা পান। ইকুয়েডর দেশের নাগরিকদের জন্য কেপ ভার্দে ভিসা

ইকুয়েডর ভ্রমণ: যা জেনে রাখা ভালো

  • প্রায়া — কিতো: সরলরেখায় প্রায় 6,270 কিমি; সরাসরি ফ্লাইটে লাগে প্রায় 8.5 ঘণ্টা।
  • আপনার দেশের রাজধানীর সঙ্গে সময়ের পার্থক্য: −4 ঘণ্টা।
  • স্থানীয় সময়: প্রায়া 12:00 — কিতো 08:00।
  • স্থানীয় মুদ্রা: মার্কিন ডলার।
  • ভাষা: স্প্যানিশ।
  • কেপ ভার্দে দেশের নাগরিকদের জন্য খোলা 197টি গন্তব্যের মধ্যে কাছের দিক থেকে ইকুয়েডর দেশ 105তম স্থানে রয়েছে।
কেপ ভার্দে → ইকুয়েডর

একই সফরে আরও দেশ

প্রতিবেশী দেশ এবং কেপ ভার্দে দেশের নাগরিকদের জন্য সেখানকার ভিসার নিয়ম:

প্রতিবেশী দেশের নাগরিকেরা কীভাবে ইকুয়েডর ভ্রমণ করেন

কেপ ভার্দে দেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য ইকুয়েডর ভ্রমণের ভিসার নিয়ম:

সচরাচর জিজ্ঞাসা

প্রায়া — কিতো: ফ্লাইটে কত সময় লাগে?

সরাসরি ফ্লাইটে প্রায় 8.5 ঘণ্টা: দুই রাজধানীর দূরত্ব প্রায় 6,270 কিমি। ট্রানজিট থাকলে বেশি সময় লাগে।

ইকুয়েডর দেশের সঙ্গে সময়ের পার্থক্য কত?

আপনার দেশের রাজধানীর সঙ্গে সময়ের পার্থক্য: −4 ঘণ্টা।

ইকুয়েডর দেশের নাগরিকদের কি কেপ ভার্দে ভ্রমণে ভিসা লাগে?

অন্যদিকে, ইকুয়েডর দেশের নাগরিকেরা কেপ ভার্দে দেশে পৌঁছানোর পর ভিসা পান।

কেপ ভার্দে দেশের নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে সস্তা ই-ভিসা

কেপ ভার্দে দেশের নাগরিকদের জন্য আরও গন্তব্য

পাসপোর্টে কোথায় যাওয়া যায়: কেপ ভার্দে

তথ্য যাচাই করা হয়েছে: · সরকারি ফি