visago
ইকুয়েডর
পাপুয়া নিউ গিনিইকুয়েডরভিসা লাগে না

পাপুয়া নিউ গিনি দেশের নাগরিকদের কি ইকুয়েডর ভ্রমণে ভিসা লাগে?

পাপুয়া নিউ গিনি দেশের নাগরিকদের ইকুয়েডর ভ্রমণে ভিসা লাগে না; সর্বোচ্চ 90 দিন থাকা যায়। বৈধ পাসপোর্ট লাগবে; সীমান্ত কর্মকর্তারা ফিরতি টিকিট ও থাকার বুকিং দেখতে চাইতে পারেন। বেশি দিন থাকতে চাইলে ভিসা বা মেয়াদ বাড়ানো (এক্সটেনশন) দরকার হবে।

পাপুয়া নিউ গিনি দেশের নাগরিকদের জন্য: এই পাসপোর্টে 37টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়; পোর্ট মোর্সবি — কিতো: ≈ 14,850 কিমি, ফ্লাইটে প্রায় 19 ঘণ্টা।

যাচাই করেছেন ভিসা বিশ্লেষক Albert Brown, 13 বছরের অভিজ্ঞতা · 26 সেপ্টেম্বর, 2026

এক নজরে

ভিসা লাগে না

থাকার মেয়াদ: 90 দিন

পাপুয়া নিউ গিনি দেশের পাসপোর্টে কি ভিসা ছাড়া ইকুয়েডর ভ্রমণ করা যায়?

হ্যাঁ, পাপুয়া নিউ গিনি দেশের নাগরিকদের ইকুয়েডর ভ্রমণে ভিসা লাগে না — সর্বোচ্চ 90 দিন। বৈধ পাসপোর্টই যথেষ্ট।

ইকুয়েডর ভিসার নিয়ম: এক নজরে

  • পাপুয়া নিউ গিনি দেশের পাসপোর্টে 37টি দেশে ভিসা ছাড়া, 29টি দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসায় এবং 49টি দেশে ই-ভিসায় যাওয়া যায়; আরও 83টি দেশে দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসা লাগে।
  • ভিসা ছাড়া যাওয়া যায় এমন দেশের সংখ্যার হিসাবে পাপুয়া নিউ গিনি দেশের পাসপোর্ট 199টির মধ্যে 129তম স্থানে রয়েছে।
  • পাপুয়া নিউ গিনি দেশের পাসপোর্ট: 37টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়; ইকুয়েডর দেশের পাসপোর্ট: 45টি দেশে।
  • পাপুয়া নিউ গিনি ও ইকুয়েডর দেশের নাগরিকেরা একসঙ্গে 19টি দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারেন, যেমন: মাইক্রোনেশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিসিলি, প্যালেস্টাইন ভূখণ্ড, পেরু, পানামা, বাহামা দ্বীপপুঞ্জ, জামাইকা, কলম্বিয়া, হাইতি, ডোমেনিকান প্রজাতন্ত্র এবং অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা।
  • অন্যদিকে, ইকুয়েডর দেশের নাগরিকদের পাপুয়া নিউ গিনি ভ্রমণে ই-ভিসা লাগে। ইকুয়েডর দেশের নাগরিকদের জন্য পাপুয়া নিউ গিনি ভিসা

ইকুয়েডর ভ্রমণ: যা জেনে রাখা ভালো

  • পোর্ট মোর্সবি — কিতো: সরলরেখায় প্রায় 14,850 কিমি; সরাসরি ফ্লাইটে লাগে প্রায় 19 ঘণ্টা।
  • আপনার দেশের রাজধানীর সঙ্গে সময়ের পার্থক্য: −16 ঘণ্টা।
  • স্থানীয় সময়: পোর্ট মোর্সবি 12:00 — কিতো 20:00।
  • স্থানীয় মুদ্রা: মার্কিন ডলার।
  • ভাষা: স্প্যানিশ।
  • পাপুয়া নিউ গিনি দেশের নাগরিকদের জন্য খোলা 197টি গন্তব্যের মধ্যে কাছের দিক থেকে ইকুয়েডর দেশ 152তম স্থানে রয়েছে।
পাপুয়া নিউ গিনি → ইকুয়েডর

একই সফরে আরও দেশ

প্রতিবেশী দেশ এবং পাপুয়া নিউ গিনি দেশের নাগরিকদের জন্য সেখানকার ভিসার নিয়ম:

প্রতিবেশী দেশের নাগরিকেরা কীভাবে ইকুয়েডর ভ্রমণ করেন

পাপুয়া নিউ গিনি দেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য ইকুয়েডর ভ্রমণের ভিসার নিয়ম:

সচরাচর জিজ্ঞাসা

পোর্ট মোর্সবি — কিতো: ফ্লাইটে কত সময় লাগে?

সরাসরি ফ্লাইটে প্রায় 19 ঘণ্টা: দুই রাজধানীর দূরত্ব প্রায় 14,850 কিমি। ট্রানজিট থাকলে বেশি সময় লাগে।

ইকুয়েডর দেশের সঙ্গে সময়ের পার্থক্য কত?

আপনার দেশের রাজধানীর সঙ্গে সময়ের পার্থক্য: −16 ঘণ্টা।

ইকুয়েডর দেশের নাগরিকদের কি পাপুয়া নিউ গিনি ভ্রমণে ভিসা লাগে?

অন্যদিকে, ইকুয়েডর দেশের নাগরিকদের পাপুয়া নিউ গিনি ভ্রমণে ই-ভিসা লাগে।

পাপুয়া নিউ গিনি দেশের নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে সস্তা ই-ভিসা

পাপুয়া নিউ গিনি দেশের নাগরিকদের জন্য আরও গন্তব্য

পাসপোর্টে কোথায় যাওয়া যায়: পাপুয়া নিউ গিনি

তথ্য যাচাই করা হয়েছে: · সরকারি ফি