visago
গ্রীস
পর্তুগালগ্রীসভিসা লাগে না

পর্তুগাল দেশের নাগরিকদের কি গ্রীস ভ্রমণে ভিসা লাগে?

পর্তুগাল দেশের নাগরিকদের গ্রীস ভ্রমণে ভিসা লাগে না। বৈধ পাসপোর্ট লাগবে; সীমান্ত কর্মকর্তারা ফিরতি টিকিট ও থাকার বুকিং দেখতে চাইতে পারেন। বেশি দিন থাকতে চাইলে ভিসা বা মেয়াদ বাড়ানো (এক্সটেনশন) দরকার হবে।

পর্তুগাল দেশের নাগরিকদের জন্য: এই পাসপোর্টে 121টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়; লিসবন — অ্যাথেন্স: ≈ 2,850 কিমি, ফ্লাইটে প্রায় 4 ঘণ্টা।

যাচাই করেছেন ভিসা বিশ্লেষক Albert Brown, 13 বছরের অভিজ্ঞতা · 26 সেপ্টেম্বর, 2026

এক নজরে

ভিসা লাগে না

পর্তুগাল দেশের পাসপোর্টে কি ভিসা ছাড়া গ্রীস ভ্রমণ করা যায়?

হ্যাঁ, পর্তুগাল দেশের নাগরিকদের গ্রীস ভ্রমণে ভিসা লাগে না। বৈধ পাসপোর্টই যথেষ্ট।

গ্রীস ভিসার নিয়ম: এক নজরে

  • পর্তুগাল দেশের পাসপোর্টে 121টি দেশে ভিসা ছাড়া, 27টি দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসায় এবং 36টি দেশে ই-ভিসায় যাওয়া যায়; আরও 14টি দেশে দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসা লাগে।
  • ভিসা ছাড়া যাওয়া যায় এমন দেশের সংখ্যার হিসাবে পর্তুগাল দেশের পাসপোর্ট 199টির মধ্যে 14তম স্থানে রয়েছে।
  • পর্তুগাল দেশের পাসপোর্ট: 121টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়; গ্রীস দেশের পাসপোর্ট: 120টি দেশে।
  • পর্তুগাল ও গ্রীস দেশের নাগরিকেরা একসঙ্গে 118টি দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারেন, যেমন: স্পেন, মরক্কো, আন্ডোরা, ফ্রান্স, মোনাকো, সুইজারল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, তিউনিসিয়া, লাক্সেমবার্গ, বেলজিয়াম, লিচেনস্টেইন, ভ্যাটিকান সিটি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস এবং সান মারিনো।
  • দুই দেশেই একই মুদ্রা চলে — ইউরো — তাই টাকা বদলানোর দরকার নেই।
  • অন্যদিকে, গ্রীস দেশের নাগরিকদের পর্তুগাল ভ্রমণে ভিসা লাগে না। গ্রীস দেশের নাগরিকদের জন্য পর্তুগাল ভিসা

গ্রীস ভ্রমণ: যা জেনে রাখা ভালো

  • লিসবন — অ্যাথেন্স: সরলরেখায় প্রায় 2,850 কিমি; সরাসরি ফ্লাইটে লাগে প্রায় 4 ঘণ্টা।
  • আপনার দেশের রাজধানীর সঙ্গে সময়ের পার্থক্য: +3 ঘণ্টা।
  • স্থানীয় সময়: লিসবন 12:00 — অ্যাথেন্স 15:00।
  • স্থানীয় মুদ্রা: ইউরো।
  • ভাষা: গ্রিক।
  • বিনিময় হার: 1.00 US$ ≈ 0.88€।
  • পর্তুগাল দেশের নাগরিকদের জন্য খোলা 197টি গন্তব্যের মধ্যে কাছের দিক থেকে গ্রীস দেশ 39তম স্থানে রয়েছে।
পর্তুগাল → গ্রীস

একই সফরে আরও দেশ

প্রতিবেশী দেশ এবং পর্তুগাল দেশের নাগরিকদের জন্য সেখানকার ভিসার নিয়ম:

প্রতিবেশী দেশের নাগরিকেরা কীভাবে গ্রীস ভ্রমণ করেন

পর্তুগাল দেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য গ্রীস ভ্রমণের ভিসার নিয়ম:

সচরাচর জিজ্ঞাসা

লিসবন — অ্যাথেন্স: ফ্লাইটে কত সময় লাগে?

সরাসরি ফ্লাইটে প্রায় 4 ঘণ্টা: দুই রাজধানীর দূরত্ব প্রায় 2,850 কিমি। ট্রানজিট থাকলে বেশি সময় লাগে।

গ্রীস দেশের সঙ্গে সময়ের পার্থক্য কত?

আপনার দেশের রাজধানীর সঙ্গে সময়ের পার্থক্য: +3 ঘণ্টা।

গ্রীস দেশের নাগরিকদের কি পর্তুগাল ভ্রমণে ভিসা লাগে?

অন্যদিকে, গ্রীস দেশের নাগরিকদের পর্তুগাল ভ্রমণে ভিসা লাগে না।

পর্তুগাল দেশের নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে সস্তা ই-ভিসা

পর্তুগাল দেশের নাগরিকদের জন্য আরও গন্তব্য

পাসপোর্টে কোথায় যাওয়া যায়: পর্তুগাল

তথ্য যাচাই করা হয়েছে: · সরকারি ফি