visago
লেসোথো
তাঞ্জানিয়ালেসোথোভিসা লাগে না

তাঞ্জানিয়া দেশের নাগরিকদের কি লেসোথো ভ্রমণে ভিসা লাগে?

তাঞ্জানিয়া দেশের নাগরিকদের লেসোথো ভ্রমণে ভিসা লাগে না; সর্বোচ্চ 90 দিন থাকা যায়। বৈধ পাসপোর্ট লাগবে; সীমান্ত কর্মকর্তারা ফিরতি টিকিট ও থাকার বুকিং দেখতে চাইতে পারেন। বেশি দিন থাকতে চাইলে ভিসা বা মেয়াদ বাড়ানো (এক্সটেনশন) দরকার হবে।

তাঞ্জানিয়া দেশের নাগরিকদের জন্য: এই পাসপোর্টে 42টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়; দোদোমা — মাসেরু: ≈ 2,710 কিমি, ফ্লাইটে প্রায় 4 ঘণ্টা।

যাচাই করেছেন ভিসা বিশ্লেষক Albert Brown, 13 বছরের অভিজ্ঞতা · 26 সেপ্টেম্বর, 2026

এক নজরে

ভিসা লাগে না

থাকার মেয়াদ: 90 দিন

তাঞ্জানিয়া দেশের পাসপোর্টে কি ভিসা ছাড়া লেসোথো ভ্রমণ করা যায়?

হ্যাঁ, তাঞ্জানিয়া দেশের নাগরিকদের লেসোথো ভ্রমণে ভিসা লাগে না — সর্বোচ্চ 90 দিন। বৈধ পাসপোর্টই যথেষ্ট।

লেসোথো ভিসার নিয়ম: এক নজরে

  • তাঞ্জানিয়া দেশের পাসপোর্টে 42টি দেশে ভিসা ছাড়া, 21টি দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসায় এবং 40টি দেশে ই-ভিসায় যাওয়া যায়; আরও 95টি দেশে দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসা লাগে।
  • ভিসা ছাড়া যাওয়া যায় এমন দেশের সংখ্যার হিসাবে তাঞ্জানিয়া দেশের পাসপোর্ট 199টির মধ্যে 116তম স্থানে রয়েছে।
  • তাঞ্জানিয়া দেশের পাসপোর্ট: 42টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়; লেসোথো দেশের পাসপোর্ট: 42টি দেশে।
  • তাঞ্জানিয়া ও লেসোথো দেশের নাগরিকেরা একসঙ্গে 36টি দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারেন, যেমন: কেনিয়া, রুয়ান্ডা, উগান্ডা, মালাউই, জাম্বিয়া, জিম্বাবোয়ে, সিসিলি, ইসওয়াতিনি, বতসোয়ানা, দক্ষিণ আফ্রিকা, অ্যাঙ্গোলা, নামিবিয়া, মরিশাস, বেনিন এবং ঘানা।
  • দুই দেশের অভিন্ন ভাষা: ইংরেজি।
  • অন্যদিকে, লেসোথো দেশের নাগরিকদের তাঞ্জানিয়া ভ্রমণে ভিসা লাগে না। লেসোথো দেশের নাগরিকদের জন্য তাঞ্জানিয়া ভিসা

লেসোথো ভ্রমণ: যা জেনে রাখা ভালো

  • দোদোমা — মাসেরু: সরলরেখায় প্রায় 2,710 কিমি; সরাসরি ফ্লাইটে লাগে প্রায় 4 ঘণ্টা।
  • আপনার দেশের রাজধানীর সঙ্গে সময়ের পার্থক্য: −1 ঘণ্টা।
  • স্থানীয় সময়: দোদোমা 12:00 — মাসেরু 11:00।
  • স্থানীয় মুদ্রা: লেসুটু লোটি এবং দক্ষিণ আফ্রিকান রেন্ড।
  • ভাষা: ইংরেজি এবং দক্ষিন সোথো।
  • বিনিময় হার: 1.00 US$ ≈ 16 LSL।
  • তাঞ্জানিয়া দেশের নাগরিকদের জন্য খোলা 197টি গন্তব্যের মধ্যে কাছের দিক থেকে লেসোথো দেশ 27তম স্থানে রয়েছে।
তাঞ্জানিয়া → লেসোথো

একই সফরে আরও দেশ

প্রতিবেশী দেশ এবং তাঞ্জানিয়া দেশের নাগরিকদের জন্য সেখানকার ভিসার নিয়ম:

প্রতিবেশী দেশের নাগরিকেরা কীভাবে লেসোথো ভ্রমণ করেন

তাঞ্জানিয়া দেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য লেসোথো ভ্রমণের ভিসার নিয়ম:

সচরাচর জিজ্ঞাসা

দোদোমা — মাসেরু: ফ্লাইটে কত সময় লাগে?

সরাসরি ফ্লাইটে প্রায় 4 ঘণ্টা: দুই রাজধানীর দূরত্ব প্রায় 2,710 কিমি। ট্রানজিট থাকলে বেশি সময় লাগে।

লেসোথো দেশের সঙ্গে সময়ের পার্থক্য কত?

আপনার দেশের রাজধানীর সঙ্গে সময়ের পার্থক্য: −1 ঘণ্টা।

লেসোথো দেশের নাগরিকদের কি তাঞ্জানিয়া ভ্রমণে ভিসা লাগে?

অন্যদিকে, লেসোথো দেশের নাগরিকদের তাঞ্জানিয়া ভ্রমণে ভিসা লাগে না।

তাঞ্জানিয়া দেশের নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে সস্তা ই-ভিসা

তাঞ্জানিয়া দেশের নাগরিকদের জন্য আরও গন্তব্য

পাসপোর্টে কোথায় যাওয়া যায়: তাঞ্জানিয়া

তথ্য যাচাই করা হয়েছে: · সরকারি ফি