visago
মাইক্রোনেশিয়া
তিমুর-লেস্তেমাইক্রোনেশিয়াভিসা লাগে না

তিমুর-লেস্তে দেশের নাগরিকদের কি মাইক্রোনেশিয়া ভ্রমণে ভিসা লাগে?

তিমুর-লেস্তে দেশের নাগরিকদের মাইক্রোনেশিয়া ভ্রমণে ভিসা লাগে না; সর্বোচ্চ 30 দিন থাকা যায়। বৈধ পাসপোর্ট লাগবে; সীমান্ত কর্মকর্তারা ফিরতি টিকিট ও থাকার বুকিং দেখতে চাইতে পারেন। বেশি দিন থাকতে চাইলে ভিসা বা মেয়াদ বাড়ানো (এক্সটেনশন) দরকার হবে।

তিমুর-লেস্তে দেশের নাগরিকদের জন্য: এই পাসপোর্টে 55টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়; দিলি — পালিকির: ≈ 4,000 কিমি, ফ্লাইটে প্রায় 5.5 ঘণ্টা।

যাচাই করেছেন ভিসা বিশ্লেষক Albert Brown, 13 বছরের অভিজ্ঞতা · 26 সেপ্টেম্বর, 2026

এক নজরে

ভিসা লাগে না

থাকার মেয়াদ: 30 দিন

তিমুর-লেস্তে দেশের পাসপোর্টে কি ভিসা ছাড়া মাইক্রোনেশিয়া ভ্রমণ করা যায়?

হ্যাঁ, তিমুর-লেস্তে দেশের নাগরিকদের মাইক্রোনেশিয়া ভ্রমণে ভিসা লাগে না — সর্বোচ্চ 30 দিন। বৈধ পাসপোর্টই যথেষ্ট।

মাইক্রোনেশিয়া ভিসার নিয়ম: এক নজরে

  • তিমুর-লেস্তে দেশের পাসপোর্টে 55টি দেশে ভিসা ছাড়া, 27টি দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসায় এবং 53টি দেশে ই-ভিসায় যাওয়া যায়; আরও 63টি দেশে দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসা লাগে।
  • ভিসা ছাড়া যাওয়া যায় এমন দেশের সংখ্যার হিসাবে তিমুর-লেস্তে দেশের পাসপোর্ট 199টির মধ্যে 99তম স্থানে রয়েছে।
  • তিমুর-লেস্তে দেশের পাসপোর্ট: 55টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়; মাইক্রোনেশিয়া দেশের পাসপোর্ট: 69টি দেশে।
  • তিমুর-লেস্তে ও মাইক্রোনেশিয়া দেশের নাগরিকেরা একসঙ্গে 50টি দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারেন, যেমন: সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, কিরিবাতি, সিসিলি, প্যালেস্টাইন ভূখণ্ড, সাইপ্রাস, মলডোভা, ফিনল্যান্ড, রোমানিয়া, এস্তোনিয়া, লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া, গ্রীস, বুলগেরিয়া এবং পোল্যান্ড।
  • অন্যদিকে, মাইক্রোনেশিয়া দেশের নাগরিকেরা তিমুর-লেস্তে দেশে পৌঁছানোর পর ভিসা পান। মাইক্রোনেশিয়া দেশের নাগরিকদের জন্য তিমুর-লেস্তে ভিসা

মাইক্রোনেশিয়া ভ্রমণ: যা জেনে রাখা ভালো

  • দিলি — পালিকির: সরলরেখায় প্রায় 4,000 কিমি; সরাসরি ফ্লাইটে লাগে প্রায় 5.5 ঘণ্টা।
  • আপনার দেশের রাজধানীর সঙ্গে সময়ের পার্থক্য: +2 ঘণ্টা।
  • স্থানীয় সময়: দিলি 12:00 — পালিকির 14:00।
  • ভাষা: ইংরেজি।
  • তিমুর-লেস্তে দেশের নাগরিকদের জন্য খোলা 197টি গন্তব্যের মধ্যে কাছের দিক থেকে মাইক্রোনেশিয়া দেশ 16তম স্থানে রয়েছে।
তিমুর-লেস্তে → মাইক্রোনেশিয়া

একই সফরে আরও দেশ

প্রতিবেশী দেশ এবং তিমুর-লেস্তে দেশের নাগরিকদের জন্য সেখানকার ভিসার নিয়ম:

প্রতিবেশী দেশের নাগরিকেরা কীভাবে মাইক্রোনেশিয়া ভ্রমণ করেন

তিমুর-লেস্তে দেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য মাইক্রোনেশিয়া ভ্রমণের ভিসার নিয়ম:

সচরাচর জিজ্ঞাসা

দিলি — পালিকির: ফ্লাইটে কত সময় লাগে?

সরাসরি ফ্লাইটে প্রায় 5.5 ঘণ্টা: দুই রাজধানীর দূরত্ব প্রায় 4,000 কিমি। ট্রানজিট থাকলে বেশি সময় লাগে।

মাইক্রোনেশিয়া দেশের সঙ্গে সময়ের পার্থক্য কত?

আপনার দেশের রাজধানীর সঙ্গে সময়ের পার্থক্য: +2 ঘণ্টা।

মাইক্রোনেশিয়া দেশের নাগরিকদের কি তিমুর-লেস্তে ভ্রমণে ভিসা লাগে?

অন্যদিকে, মাইক্রোনেশিয়া দেশের নাগরিকেরা তিমুর-লেস্তে দেশে পৌঁছানোর পর ভিসা পান।

তিমুর-লেস্তে দেশের নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে সস্তা ই-ভিসা

তিমুর-লেস্তে দেশের নাগরিকদের জন্য আরও গন্তব্য

পাসপোর্টে কোথায় যাওয়া যায়: তিমুর-লেস্তে

তথ্য যাচাই করা হয়েছে: · সরকারি ফি