
সান মারিনো দেশের নাগরিকদের কি পর্তুগাল ভ্রমণে ভিসা লাগে?
সান মারিনো দেশের নাগরিকদের পর্তুগাল ভ্রমণে ভিসা লাগে না; সর্বোচ্চ 90 দিন থাকা যায়। বৈধ পাসপোর্ট লাগবে; সীমান্ত কর্মকর্তারা ফিরতি টিকিট ও থাকার বুকিং দেখতে চাইতে পারেন। বেশি দিন থাকতে চাইলে ভিসা বা মেয়াদ বাড়ানো (এক্সটেনশন) দরকার হবে।
সান মারিনো দেশের নাগরিকদের জন্য: এই পাসপোর্টে 103টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়; সান মারিনো — লিসবন: ≈ 1,890 কিমি, ফ্লাইটে প্রায় 3 ঘণ্টা।
যাচাই করেছেন ভিসা বিশ্লেষক Albert Brown, 13 বছরের অভিজ্ঞতা · 26 সেপ্টেম্বর, 2026
ভিসা লাগে না
থাকার মেয়াদ: 90 দিন
সান মারিনো দেশের পাসপোর্টে কি ভিসা ছাড়া পর্তুগাল ভ্রমণ করা যায়?
হ্যাঁ, সান মারিনো দেশের নাগরিকদের পর্তুগাল ভ্রমণে ভিসা লাগে না — সর্বোচ্চ 90 দিন। বৈধ পাসপোর্টই যথেষ্ট।
পর্তুগাল ভিসার নিয়ম: এক নজরে
- সান মারিনো দেশের পাসপোর্টে 103টি দেশে ভিসা ছাড়া, 32টি দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসায় এবং 39টি দেশে ই-ভিসায় যাওয়া যায়; আরও 24টি দেশে দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসা লাগে।
- ভিসা ছাড়া যাওয়া যায় এমন দেশের সংখ্যার হিসাবে সান মারিনো দেশের পাসপোর্ট 199টির মধ্যে 49তম স্থানে রয়েছে।
- সান মারিনো দেশের পাসপোর্ট: 103টি দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়; পর্তুগাল দেশের পাসপোর্ট: 121টি দেশে।
- সান মারিনো ও পর্তুগাল দেশের নাগরিকেরা একসঙ্গে 101টি দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারেন, যেমন: ভ্যাটিকান সিটি, ইতালি, স্লোভানিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মোনাকো, লিচেনস্টেইন, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, মন্টিনিগ্রো, স্লোভাকিয়া, সার্বিয়া, হাঙ্গেরি, আলবেনিয়া এবং চেকিয়া।
- দুই দেশেই একই মুদ্রা চলে — ইউরো — তাই টাকা বদলানোর দরকার নেই।
- অন্যদিকে, পর্তুগাল দেশের নাগরিকদের সান মারিনো ভ্রমণে ভিসা লাগে না। পর্তুগাল দেশের নাগরিকদের জন্য সান মারিনো ভিসা
পর্তুগাল ভ্রমণ: যা জেনে রাখা ভালো
- সান মারিনো — লিসবন: সরলরেখায় প্রায় 1,890 কিমি; সরাসরি ফ্লাইটে লাগে প্রায় 3 ঘণ্টা।
- আপনার দেশের রাজধানীর সঙ্গে সময়ের পার্থক্য: −2 ঘণ্টা।
- স্থানীয় সময়: সান মারিনো 12:00 — লিসবন 10:00।
- স্থানীয় মুদ্রা: ইউরো।
- ভাষা: পর্তুগিজ।
- বিনিময় হার: 1.00 US$ ≈ 0.88€।
- সান মারিনো দেশের নাগরিকদের জন্য খোলা 197টি গন্তব্যের মধ্যে কাছের দিক থেকে পর্তুগাল দেশ 44তম স্থানে রয়েছে।

একই সফরে আরও দেশ
প্রতিবেশী দেশ এবং সান মারিনো দেশের নাগরিকদের জন্য সেখানকার ভিসার নিয়ম:
প্রতিবেশী দেশের নাগরিকেরা কীভাবে পর্তুগাল ভ্রমণ করেন
সান মারিনো দেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য পর্তুগাল ভ্রমণের ভিসার নিয়ম:
সচরাচর জিজ্ঞাসা
সান মারিনো — লিসবন: ফ্লাইটে কত সময় লাগে?
সরাসরি ফ্লাইটে প্রায় 3 ঘণ্টা: দুই রাজধানীর দূরত্ব প্রায় 1,890 কিমি। ট্রানজিট থাকলে বেশি সময় লাগে।
পর্তুগাল দেশের সঙ্গে সময়ের পার্থক্য কত?
আপনার দেশের রাজধানীর সঙ্গে সময়ের পার্থক্য: −2 ঘণ্টা।
পর্তুগাল দেশের নাগরিকদের কি সান মারিনো ভ্রমণে ভিসা লাগে?
অন্যদিকে, পর্তুগাল দেশের নাগরিকদের সান মারিনো ভ্রমণে ভিসা লাগে না।
সান মারিনো দেশের নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে সস্তা ই-ভিসা
সান মারিনো দেশের নাগরিকদের জন্য আরও গন্তব্য
পাসপোর্টে কোথায় যাওয়া যায়: সান মারিনো- লিবিয়াঅনলাইন
- যুক্তরাজ্যঅনলাইন
- রাশিয়াঅনলাইন
- ইজরায়েলঅনলাইন
- ইরাকঅনলাইন
- আজারবাইজানঅনলাইন
- চাদঅনলাইন
- বুরকিনা ফাসোঅনলাইন
- নাইজেরিয়াঅনলাইন
- মরিতানিয়াঅনলাইন
- বেনিনঅনলাইন
- টোগোঅনলাইন
- ক্যামেরুনঅনলাইন
- কোট ডি‘আইভোরঅনলাইন
- গিনিঅনলাইন
- ইথিওপিয়াঅনলাইন
- সিয়েরা লিওনঅনলাইন
- নিরক্ষীয় গিনিঅনলাইন
- দক্ষিণ সুদানঅনলাইন
- লাইবেরিয়াঅনলাইন
- গ্যাবনঅনলাইন
- উগান্ডাঅনলাইন
- পাকিস্তানঅনলাইন
- কঙ্গো-কিনশাসাঅনলাইন
- সোমালিয়াঅনলাইন
- ভারতঅনলাইন
- কানাডাঅনলাইন
- মঙ্গোলিয়াঅনলাইন
- ভুটানঅনলাইন
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রঅনলাইন
তথ্য যাচাই করা হয়েছে: · সরকারি ফি